আব্দুর রাজ্জাক (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় পুরাতন ডিলারদের রিট পিটিশন দায়ের এবং নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের কার্যক্রম স্থগিতাদেশ জারি। উপজেলা নিয়োগ কমিটির সভাপতি (ইউএনও) কে অবগত করতেই স্থগিতাদেশের কপি দিলেন রিটকারিগণ।
৪ নভেম্বর (মঙ্গলবার) সকালে উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ৩৩ জন ডিলারের মধ্যে গত ১৪/ ১০/২৪ তারিখে একটি সার্কুলার জারির বিপরীতে সার্কুলার চ্যালেঞ্জ করে পুরাতন ডিলাররা - ১৬২০৭/২০২৪ দায়ের করে। সেই রিট পিটিশনের শুনানি অন্তে মহামান্য হাইকোর্টে একটি স্থগিতাদেশ জারি করে।আবেদনের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট গত ২২/১০/২০২৫ তারিখে পূর্বের রিট পিটিশনের আওতাভুক্ত করে রিটকারীদের একপক্ষভূক্ত করে এবং বর্তমানে আইনানুযায়ী পুরাতন ডিলারা মূল রিট পিটিশনের মূল বাদী হয়। তারই প্রেক্ষিতে সর্বশেষ গত ১৩/১০/২০২৫ মহামান্য হাইকোর্টের জনাব বিচারপতি কেএম হাফিজুর রহমান ও মো: হামিদুর রহমান আদেশ প্রদান করেন যে, নতুন ডিলারদের কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত এবং পুরাতন ডিলারের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বলা হয়েছে।
খাদ্য অধিদপ্তরের গত ১১/০২/২০২৫ তারিখের বন্টন শাখার ১৩.০১.০০০০.০৫০.৩২.০০১.২১.১১৯ স্মারক মূলে প্রেরিত ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর ডিলার নিয়োগে করনীয় বিষয়ে ১৯ জানুয়ারী হওয়া মাসিক সমন্বয় মিটিং - এর সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, যদি কোন জেলা বা উপজেলায় ওএমএস/খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগের বিষয়ে মামলা হয় বা চলমান থাকে তাহলে আদালতের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া অন্যান্য এলাকায় নিয়োগ কার্যক্রম চলমান থাকবে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, মহামান্য হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ পেয়েছি।সিদ্ধান্ত গ্রহনের জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষকে পাঠিয়েছি।সিদ্ধান্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এবিষয়ে উপজেলা খাদ্য অফিসার উম্মে কূলছুমা খাতুন বলেন, গঙ্গাচড়া উপজেলার ডিলার নিয়োগের বিষয়ে দায়েরকৃত মামলা খারিজ হওয়ার কারণে আমরা নিয়োগ দিয়েছি। কোর্ট কোন নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত আমরা তা পাইনি।
একই বিষয়ে জেলা প্রশাসক রবিউল ফয়সালের সাথে কথা হলে তিনি জানান, ইতিপূর্বে কোর্টের কোন নির্দেশে পাইনি,সেজন্য কার্যক্রম চালু ছিল। কোর্ট নির্দেশনা দিলে সিদ্ধন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিট পিটিশন অনুযায়ী দেখা যায়, ১৪/১০/২৪ দায়েরকৃত রিট পিটিশনে ২২/১০/২৫ পক্ষভূক্ত হয়ে শুনানি শেষে ৬ মাসের স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু সেই আদেশের বিষয় মৌখিক অবগত করলেও খাদ্য অফিসার তা গ্রহণ করেন নাই।
প্রকাশক: মাহমুদুল হাসান মুহিব । সম্পাদক: দিলীপ কান্তি নাথ (ভারপ্রাপ্ত) । বার্তা সম্পাদক: সৈয়দ মোঃ সাকিবুল্লাহ বিলাল।